প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অনেকের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারছি না এ কারণে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু এখনো গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, দয়া করে বিষয়টি ভুলভাবে নেবেন না। আপনাদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা সবসময়ই আমার জন্য মূল্যবান। সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।
ব্রাজিলের কান্নার নাম রোনালদো সর্বশেষ ২০০২ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল ব্রাজিল। আর ২০০২ সালের শুধু বিশ্বকাপই নয়, বরং ফুটবল নিয়ে ২০০২ সালের কথা উঠলেই চোখের সামনে সবার আগে একজন তারকাই ভেসে উঠবে। তার নাম রোনালদো ফেনোমেনন। ব্রাজিলের ইতিহাসে এবং বিশ্বে সর্বকালের সেরা ফরোয়ার্ড হিসেবে ধরা হয় তাকে। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ডিয়াগো ম্যারাডোনা তার সম্পর্কে বলেন, যদি সে ইনজুড়িতে না পাড়ত তাহলে সর্বকালের সেরা খেলোয়ারের কাতারেও হয়তো থেকে যেতেন তিনি। ২০০২ সালে বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে ৭টি ম্যাচ খেলেছে ব্রাজিল। এই সাত ম্যাচে ব্রাজিল ১৮টি গোল দেয় প্রতিপক্ষকে। এর মধ্যে এক রোনালদোর পা থেকেই আসে ৮ গোল। ২০০২ সালের পর সবচেয়ে বেশি আশা নিয়ে ব্রাজিল বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল ২০১৪ সালে নিজেদের মাটিতে। এবার ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড ছিল ফ্রেড। কিন্তু দু:খ জনক ব্যাপার হলো, এই বিশ্বকাপে ফ্রেড মাত্র একটি গোল করেন। এরপর ২০০২ সালের পর সবচেয়ে সেরা দল নিয়ে বিশ্বকাপে যায় ব্রাজিল এবার ২০১৮ সালে। আর এবার দলটির সেরা ফরোয়ার্ড ছিল গ্যাব্রিয়েল জেসুস। টিটের অধিনে সবচেয়ে বেশি উজ্জল ছিলেন তিনিই। কিন্তু বিশ্বকাপে তিনি চুড়ান্ত রকমের ব্যর...