রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগারে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে ৬ গুণ বন্দি- মানবেতর জীবন-যাপন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগারে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত ৬ গুণ বন্দি থাকায় মানবেতর জীবন-যাপন করছেন তারা। অন্যদিকে, কারা কর্তৃপক্ষ এ অবস্থায় কিছু কয়েদীকে অন্য কারাগারে স্থানান্তর করবেন বলে জানান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগারের সুপার শফিকুল ইসলাম খাঁন জানান, ১’শ ৭৫ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন এ কারাগারে বতর্মানে বন্দি রয়েছে ১ হাজার ২’শ ৪৩ জন। আর ৬টি ছোট/বড় ওয়ার্ডে এদের রাখা হয়। আইনশৃংখলা বাহিনীর মাদক বিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে মূলত জেলা কারাগারে বন্দীর সংখ্যা বেড়ে যায়। এতো বিপুল সংখ্যক বন্দিদের নিয়ে কারাগার কর্তৃপক্ষ হিমসিম খাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার দিনভর প্রচন্ড গরমের মাঝে রাতে বন্দিদের নির্ধারিত ওয়ার্ডে নেয়া হয়। প্রতিটি ওয়ার্ডেই ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি বন্দি নেয়ায় গাদাগাদি করে অবস্থান করায় রাত সাড়ে ৮ টা থেকে বেশ কিছু বন্দি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের কারাগার হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এদের মধ্যে ১১ জন আংশকাজনক হয়ে পড়লে তাদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তারা সুস্থ রয়েছে।
তিনি আরো জানান, প্রতিটি ওর্য়াডেই ধারণ ক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুন-তিনগুন বন্দি রয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে দন্ডপ্রাপ্ত প্র্ায় সাড়ে ৪’শ মাদকসেবী এখানে রয়েছে। মূলত তারাই বেশী অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তবে, নতুন ভবন তৈরীর কাজ শেষ হলে এ সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে। প্রচন্ড গরমের কারণে কারা কর্তৃপক্ষ এ অবস্থায় কিছু কয়েদীকে গতকাল শুক্রবার অন্য কারাগারে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান জেল সুপার ।
এদিকে, সিভিল সার্জন সাইফুল ফেরদৌস মোহাঃ খায়রুল আতাতুর্ক জানান, বিভিন্ন মেয়াদে দন্ডপ্রাপ্ত প্রায় সাড়ে ৪’শ মাদকসেবী রয়েছে এ কারাগারে। মূলত তারাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার ফলে বর্তমানে তারা সুস্থ।

Comments
Post a Comment