প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অনেকের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারছি না এ কারণে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু এখনো গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, দয়া করে বিষয়টি ভুলভাবে নেবেন না। আপনাদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা সবসময়ই আমার জন্য মূল্যবান। সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।
আমেরিকায় সন্ধান ‘মাংসখেকো’ ব্যাকটেরিয়ার ‘মাংসখেকো’ ব্যাকটেরিয়া। শুনতে অনেকটাই ‘সোনার পাথরবাটি’ প্রবাদটি মনে পড়ে যেতে পারে। কিন্তু সৎিয়ই এমন এক আদ্যপ্রাণীর সন্ধান মিলেছে মার্কিন মুলুকে। তাদের সংক্রমণের মাত্রা এমনই ভয়াবহ যে প্রচন্ড কষ্ট পেতে হয় আক্রান্তকে। কখনও কখনও এক থেকে দু’দিনের মধ্যেই মারাও গিয়েছেন রোগীরা। কিন্তু কী এই ‘মাংসখেকো’ ব্যাকটেরিয়া? আমেরিকার ‘সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস’ জানিয়েছে, এই ব্যাকটেরিয়ার নাম ভিব্রিও ভালনিফিকাস। যার দ্বারা আক্রান্ত হলে সেই ব্যক্তিকে অত্যন্ত যত্ন করতে হবে। তেমন হলে আক্রান্ত অঙ্গটিকে শল্য চিকিৎসা করে বাদও দিয়ে দিতে হবে। দেখা যাচ্ছে, আক্রান্তদের মধ্যে ৫ জনে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে। কিন্তু কেন এই প্রাণীগুলিকে ‘মাংসখেকো’ বলা হচ্ছে? আসলে দেখা গিয়েছে, বেশ কিছু ক্ষেত্রেই সংক্রমণের ফলে সৃষ্ট ক্ষতের আশপাশের মাংস ক্ষয়ে গিয়েছে প্রবল সংক্রমণের ধাক্কায়। যা দেখে বহু মিডিয়ার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ওই ব্যাকটেরিয়াগুলি ‘মাংসখেকো’। ‘সায়েন্টিফিক রিপোর্টস’ নামের এক জার্নাল...