Universal Bangladesh Skip to main content

Posts

Showing posts with the label whole

Featured Post

https://search.google.com/search-console?utm_source=about-page&resource_id=https://awameleuge.blogspot.com/

 প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অনেকের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারছি না  এ কারণে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু এখনো গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, দয়া করে বিষয়টি ভুলভাবে নেবেন না। আপনাদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা সবসময়ই আমার জন্য মূল্যবান। সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।

The whole family is walking with two hands and two legs, listening to the scientists in conflict

  দু’হাত, দু’পায়ে ভর দিয়ে চলেন পরিবারের সকলে, শুনে দ্বন্দ্বে বিজ্ঞানীরা বিবর্তনের নিয়ম মেনে চার পায়ে হাঁটা আদিম যুগের মানব থেকে নিয়ানডারথালদের উদ্ভব ঘটেছিল। তার আরও হাজার কোটি যুগ পর সভ্য হোমোসেপিয়েন্স মানুষেরা নিজের দুই পায়ে ভর দিয়ে পৃথিবীর বুকে হেঁটে বেড়াতে শেখে।  এখন বাঁদর, হনুমান বা শিমপাঞ্জি ছাড়া চার পায়ে হাঁটতে দেখা যায় না কাউকে। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, তুরস্কে এমন একটি পরিবার রয়েছে, যাঁরা বিবর্তনবাদের সূত্র না মেনে এখনও দুই হাত এবং দুই পায়ে ভর দিয়ে অনেকটা ভালুকের মতোই চলাফেরা করেন।  ২০০৬ সালে বিবিসি-র তৈরি একটি তথ্যচিত্রে প্রথম বার সেই ‘উলাস পরিবার’কে সভ্য মানুষের গোচরে নিয়ে আসা হয়।  ‘লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স’-এর বিবর্তন বিষয়ক মোনোবিদ নিকোলাস হামফ্রে প্রথম লক্ষ করেন, ওই উলাস পরিবারে জন্ম নেওয়া ১৮ জন শিশুর মধ্যে ৬ জনেরই জন্মগত ‘ত্রুটি’ রয়েছে।  আর সেই ত্রুটি নিয়ে জন্মানো শিশুদের মধ্যে দু’পায়ে হেঁটে চলার কোনও বৈশিষ্ট্যই নেই। তিনি বলেন, “কল্পনার জগৎ যতই বড় হোক না কেন, আমরা কোনও দিনই এমনটা ভাবতে পারি না যে, মানুষ আবার পশুর মতো আচরণ করবে। তুরস্কে বসবাসকারী বিশেষ ...

A whole cucumber is stuck in the patient's rectum

রোগীর মলদ্বারে আস্ত একটি শসা আটকে রয়েছে পশ্চাদ্দেশে ব্যথার কারণে ঠিক মতো হাঁটতে পারছিলেন না। ব্যথাটা ক্রমে বাড়তে থাকায় হাসপাতালে ছোটেন বছর চল্লিশের এক ব্যক্তি। চিকিৎসকদের জানান তাঁর সমস্যার কথা। ব্যথার উৎস কী, তা জানতে চিকিৎসকরা এক্স রে করার সিদ্ধান্ত নেন।  পরীক্ষা চলাকালীন চিকিৎসকরা দেখেন, রোগীর মলদ্বারে কিছু একটা আটকে রয়েছে। এর পরই তাঁরা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। চিকিৎসকরা তখনও বুঝতে পারেননি রোগীর মলদ্বারে আটকে থাকা বস্তুটি আসলে কী। অস্ত্রোপচার করতে গিয়েই চমকে ওঠেন তাঁরা। চিকিৎসকরা দেখেন, রোগীর মলদ্বারে আস্ত একটি শসা আটকে রয়েছে।  অস্ত্রোপচার করে শসা বার করেন চিকিৎসকরা। অস্ত্রোপচার শেষে রোগী তাঁর সমস্যার কথা জানতে চেয়েছিলেন চিকিৎসকদের কাছে। তখন তাঁরা জানান, মলদ্বারে আস্ত একটি শসা আটকে ছিল। সে কারণেই ব্যথা এবং হাঁটতে সমস্যা হচ্ছিল। এর পরই চিকিৎসকরা রোগীকে জিজ্ঞাসা করেন, কী ভাবে মলদ্বারে শসা আটকে ছিল?  তখন রোগী উত্তর দেন, তিনি জানতেন না যে তাঁর মলদ্বারে শসা আটকে রয়েছে। এর পরের উত্তরের জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিলেন না চিকিৎসকরা। রোগী দাবি করেন, “আমি শসা খেতে খুব ভালবাসি। ...