প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অনেকের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারছি না এ কারণে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু এখনো গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, দয়া করে বিষয়টি ভুলভাবে নেবেন না। আপনাদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা সবসময়ই আমার জন্য মূল্যবান। সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।
The beginning of politics and the politics of Jamaat has been banned twice in this subcontinent country! Jamaat did not want any separate country for Muslims! Know briefly!
রাজনীতির সূচনা এবং এই উপমহা দেশে দু"বার জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়!জামায়াত মুসলমানদের জন্য আলাদা কোন দেশ চায়নি! সংক্ষিপ্ত জানুন! ব্যাখ্যাঃ ইতিহাস বলছে, জামায়াত এই উপমহা দেশে ইতিমধ্যে দু'বার নিষিদ্ধ হয়েছে একবার পাকিস্তানে, আরেক বার বাংলাদেশে৷ জামায়াতের রাজনীতির সূচনা হয়েছিল ১৯৪১ সালে অবিভক্ত ভারতে সে বছরই জামায়াতে ইসলামী হিন্দ নামে একটি দল প্রতিষ্ঠা করেন সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী৷ দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে যখন ভারত থেকে পাকি স্তান নামের রাষ্ট্রটির উদ্ভব প্রক্রিয়া শুরু হয়, তখন সেই পক্রিয়ার বিরোধিতাই করেছে জামায়াতে ইসলামী হিন্দ।অর্থাৎ জামায়াত তখন মুসল মানদের জন্য আলাদা কোনো দেশ চায়নি৷ কিন্তু দেশভাগের পর পাকিস্তানেই চলে যান জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী৷ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার এক বছরের মধ্যে, অর্থাৎ ১৯৪৮ সালে তিনি ইসলামী সংবিধান ও ইসলামী সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচারণা শুরু করেন৷ অল্প দিনের মধ্যেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ কিন্তু ১৯৪৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মৃত্যু বরণ করায় হঠাৎ করেই উল্টো পথ ধরে পাকিস্তানের রাজনীতি৷ যে দেশ মওদুদীকে গ...