প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অনেকের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারছি না এ কারণে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু এখনো গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, দয়া করে বিষয়টি ভুলভাবে নেবেন না। আপনাদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা সবসময়ই আমার জন্য মূল্যবান। সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।
গোমস্তাপুরের দর্শনীয় স্থানগুলোতে উপচে পড়া ভীড় কয়েকবছর করোনা পরিস্থিতির কারণে ইদ ও অন্য সময়ে দর্শনীয় স্থানগুলোতে দর্শনার্থীদের তেমন দেখা দেয়নি। এবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিনোদনকেন্দ্র ও দর্শনীয় স্থানগুলোতে ইদ আনন্দ উপভোগকারী দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। ইদের দিন দুপুরের পর থেকে চলছে এই ভীড়। স্থানগুলোতে বৃদ্ধদের উপস্থিতি কম হলেও নারী-পুরুষ,শিশু, যুবক-যুবতী উপস্থিতি ছিল অনেকটা বেশি। গোমস্তাপুর উপজেলার প্রানকেন্দ্র রহনপুরের একটু অদূরে রাজালক্ষনের স্মৃতি বিচরিত ষাঁড়বুরুজ পাড়, রহনপুর পৌরসভার শিশু পার্ক, মহানন্দা নদীর উপর নির্মিত চৌডালা ও মকরমপুর সেতু, পাখি পার্ক,স্টার পার্ক, রামদাস বিল,শিবরামপুর সীমান্তে এলাকাসহ বেশ এলাকায় দর্শনার্থীদের উপস্থিতে মুখরিত ছিল। স্থানগুলো দর্শনার্থীদের জন্য মুখরিত খাবারে দোকান বসেছিল। ষাঁড়বুরুজ এলাকার বারো ভাজী দোকানদার মাঈনুল ইসলাম জানান, ইদের দিন সকালে বৃষ্টি হলে তিনি দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়েন। এই দর্শনীয় স্থানে ইদের দিন থেকে প্রচুর লোকজনের সমাগম ঘটে। রাত পর্যন্ত বেচাকেনার করে থাকে। রমজানের পুরো মাস তাঁর ব্যবসা বন্ধ থাকে। ত...