Universal Bangladesh Skip to main content

Posts

Showing posts with the label accused

Featured Post

https://search.google.com/search-console?utm_source=about-page&resource_id=https://awameleuge.blogspot.com/

 প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অনেকের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারছি না  এ কারণে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু এখনো গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, দয়া করে বিষয়টি ভুলভাবে নেবেন না। আপনাদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা সবসময়ই আমার জন্য মূল্যবান। সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।

Murder of judge's son, accused's confessional statement in court

রাজশাহী  মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত

Madrasah Superintendent has been accused of taking bribe of 20 lakhs

  নিয়োগে মাদরাসা সুপারের বিরুদ্ধে ২০ লাখ ঘুস নেওয়ার অভিযোগ চাকরি দেবেন বলে দুজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন মাদরাসা সুপার। তবে তাদের চাকরি না দিয়ে অন্যজনের কাছ থেকে বেশি টাকা নিয়ে নিয়োগ বোর্ড বসান। বিষয়টি প্রার্থীরা জানতে পেরে এলাকাবাসীসহ এসে প্রতিষ্ঠানে আন্দোলন করেন। পরে প্রশাসন এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়।  তোপের মুখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন মাদরাসা সুপার।  শুক্রবার (৭ এপ্রিল) এমনই ঘটনা ঘটেছে জয়পুরহাটের পাচবিবি উপজেলার শেখপাড়া সাচ্চাপীর সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদরাসায়। প্রতিষ্ঠানটির আয়া ও নিরাপত্তাপ্রহরী দুটি পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে মাদরাসা সুপার আব্দুল জলিল ২০ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।  ভুক্তভোগী শেখপাড়া গ্রামের শাকিল মাহমুদ জাগো নিউজকে বলেন, মাদরাসা সুপার আমাকে নিরাপত্তাপ্রহরী পদে চাকরি দেবেন বলে আমার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন। অথচ আজ যে নিয়োগ পরীক্ষা হবে তা আমাদের জানাননি। পরে জানতে পারলাম এখানে নিয়োগ পরীক্ষা চলছে। তখনই আমার মাথা ঘুরে গেলো। এত কষ্ট করে জমি বিক্রি করে টাকা দিলাম অথচ আমাকে চাকরি না দিয়ে তিনি অন্য প্রাথী নিয়ে এস...