রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত
১৪ দিনের শিশু গর্ভবতী, অস্ত্রোপচারে মিলল তিনটি ভ্রুণ আশ্চর্য কান্ডে হতবাক চিকিৎসকরাও। এ কী করে সম্ভব? ১৪ দিনের শিশু অন্তঃসত্ত্বা! উত্তরপ্রদেশের বারাণসীর ঘটনা। দুই সপ্তাহ বয়সি ওই শিশুটি আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ে। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তাকে। পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা দেখেন শিশুর গর্ভে রয়েছে তিনটি ভ্রুণ। অস্ত্রোপচার করে সেই ভ্রুণ বার করা হয়। আপাতত সুস্থ আছে শিশুটি। বারাণসীর সুন্দরলাল হাসপাতালে অস্ত্রোপচার হয় শিশুটির। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে মউ জেলার এক দম্পতি তাঁদের ১৪ দিনের সন্তানকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। শিশুটি শ্বাসকষ্ট এবং অ্যালার্জির সমস্যায় ভুগছিল। তথাপি ঠিক কী কারণে এই অসুস্থতা তা প্রথমে ধরা পড়ছিল না। এরপরেই আলট্রাসাউন্ড এবং সিটি স্ক্যান করানো হয়। তখনই ধরা পড়ে শিশুর গর্ভে তিনটি ভ্রুণ রয়েছে। এরপরই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। ৭ জন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয় অস্ত্রোপচার পর্ব। জন্মের সময় শিশুটির ওজন ছিল ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম। অস্ত্রোপচার করে ভ্রূণ বার করার পর শিশুর ওজন হয় ২ কেজি ৮০০ গ্রাম। কিন্তু প্রশ্ন হল, ১৪ দিনে...