রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত
আমরা কম্পিউটারের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি: প্রযুক্তির এই যুগে আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করি। এর ফলে আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক চাপ পড়ছে। বলা যায় আমরা কম্পিউটারের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি একনাগাড়ে আমরা তাকিয়ে থাকি কম্পিউটার দিকে। তবে কম্পিউটারের দিকে একনাগাড়ে তাকিয়ে থাকা কোনরকমে উচিত নয়। কারণ এক নাগাড়ে কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকলে আমাদের চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেজন্য নির্দিষ্ট সময় পর পর আমাদের কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে চোখ সরাতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন দুই ঘণ্টা পর পর পনের মিনিট চোখের বিশ্রাম নিতে হবে। এতে করে আমাদের চোখের লিকুইড শুকিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে। আমাদের দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক এবং উন্নত থাকবে। একজন সাধারণ মানুষের ইলেকট্রনিক ডিভাইসে তাকানোর সময় এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইসের বাইরে তাকানোর সময় চোখের পলক ফেলার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। সাধারণত ইলেকট্রনিক ডিভাইসের দিকে তাকিয়ে থাকা অবস্থায় মানুষের গড়ে সাতবার চোখের পলক পড়ে। কিন্তু ইলেকট্রনিক ডিভাইসের দিকে না তাকিয়ে থাকা অবস্থায় মানুষের গড়ে বিশ বার চোখের পলক পড়ে। সুতরাং ...