Universal Bangladesh Skip to main content

Posts

Showing posts with the label un

Featured Post

https://search.google.com/search-console?utm_source=about-page&resource_id=https://awameleuge.blogspot.com/

 প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অনেকের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারছি না  এ কারণে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু এখনো গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, দয়া করে বিষয়টি ভুলভাবে নেবেন না। আপনাদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা সবসময়ই আমার জন্য মূল্যবান। সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।

60,000 children at risk of malnutrition in South Sudan: UN

দক্ষিণ সুদানে অপুষ্টির ঝুঁকিতে ৬০ হাজার শিশু: জাতিসংঘ দক্ষিণ সুদানে নীলনদের উপকূলে লড়াই চলার কারণে মারাত্মক খাদ্য ঝুঁকিতে আছে অন্তত ৬০ হাজার শিশু। বৃহস্পতিবার (৮ মে) জাতিসংঘের দুটি ভিন্ন সংস্থা বলেছে, চলমান সংঘাতের কারণে দেশটির উত্তর পূর্বাঞ্চলে প্রায় মাসখানেক ধরে ত্রাণ সহায়তা পাঠানো ব্যাহত হয়েছে।  ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।  বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং ইউনিসেফ জানিয়েছে, নীলনদের উজানের দিকের অঞ্চলে চলতি মাসেই খাবার সংকট দেখা দেবে বলে তাদের আশঙ্কা রয়েছে।  অথচ দক্ষিণ সুদানের ওই অংশেই অপুষ্টির শিকার মানুষের সংখ্যা সর্বোচ্চ।  সংস্থা দুটির যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যে কোনও সংকটে শিশুরাই প্রথম ভুক্তভোগী হয়।  তা প্রতিহত করতে আমাদের উচিত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা। নইলে খাদ্য ঘাটতির কারণে ইতোমধ্যেই ভঙ্গুর হয়ে পড়া এলাকায় অপুষ্টির মাত্রা মারাত্মক আকার ধারণ করবে।  দক্ষিণ সুদানে অল্পই পাকা রাস্তায় রয়েছে। আর কাচা রাস্তাগুলো বর্ষাকালে চলাচলের অনেকটা অযোগ্য হয়ে পড়ে। ফলে, দেশটির যোগাযোগব্যবস্থায় নীলনদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।  বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত মাসের ম...

Gaza now 'children's graveyard': UN

  গাজা এখন ‘শিশুদের কবরস্থান’ : জাতিসংঘ জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সোমবার (৬ নভেম্বর) সতর্ক করে বলেছেন, ব্যাপক বোমাবর্ষণের কারণে গাজা উপত্যকা এখন ‘শিশুদের কবরস্থান’এ পরিণত হয়েছে। সেখানে এমন পরিস্থিতির কারণে তিনি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।  নিউইউর্কে জাতিসংঘ সদরদফতরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এমন বিপর্যস্ত পরিস্থিতির কারণে প্রতি ঘণ্টায় মানবিক যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তা আরো জরুরি হয়ে পড়েছে।’তিনি বলেন, ‘সংঘাতে জড়িত পক্ষগুলোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলকে এই অমানবিক ভোগান্তি বন্ধ করতে এবং গাজায় দ্রুত মানবিক সহায়তা বাড়াতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গাজার দুঃস্বপ্ন একটি মানবিক সংকটের চেয়েও বেশি। এটি একটি মানবতার সংকট।’ ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের দেয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলে একটি সঙ্গীতানুষ্ঠান এবং বিভিন্ন ঘরবাড়িতে চালানো হামাসের ভয়াবহ হামলায় কমপক্ষে ১৪শ’ নিহত হয়েছে।  হামাসের হামলায় নিহতদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। গাজায় হামাসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, হামাসের হামলার প্রতিশোধ নিতে গাজায় ইসর...

More than 137,000 people are in UN shelters in Gaza

  গাজায় 137,000 এরও বেশি মানুষ জাতিসংঘের আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে ইসরায়েলের আক্রমণ থেকে বাঁচতে বাড়িঘর ছেড়ে গাজা উপত্যকায় জাতিসংঘের জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ লাখ ৩৭ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।  ‘ইউনাইটেড নেশনস রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি’ (ইউএনআরডব্লিউএ) সোমবার জানিয়েছে, ৮৩টি স্কুলকে আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে। স্কুলের চেয়ার-টেবিল সরিয়ে বিছানা পাতা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রের ধারণক্ষমতার ৯০ শতাংশই ইতোমধ্যে পূর্ণ হয়ে গেছে।  সংবাদ সংস্থা সিএনএন জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্রয় নেয়া জাতিসংঘের একটি স্কুল সরাসরি ইসরায়েলি হামলায় শিকার হয়েছে। এর বেশি কিছু জানাতে পারেনি ইউএনআরডব্লিউএ।  ওই আক্রমণের সময় স্কুলটিতে কতজন ছিলেন, সেটিও জানা সম্ভব হয়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে ইউএনআরডব্লিউএ লিখেছে অব্যাহত আক্রমণের মুখে বাধ্য হয়ে ১৪টি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কেন্দ্র বন্ধ করা হয়েছে। এরফলে ৫ লাখ মানুষের খাদ্য সহায়তা পাওয়ার পথ বন্ধ হয়েছে।  শনিবার (৭ অক্টোবর) ভোরে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র হামাসের আকস্মিক হামলায় স্তম্ভিত হয়ে যায় ইসরায়েল। এরপর পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনি। পাল্টা...

The main goal is 'Water Action Agenda' after 46 years, the Water Conference is being held at the United Nations

  মূল লক্ষ্য ‘ওয়াটার অ্যাকশন এজেন্ডা’ ৪৬ বছর পর জাতিসংঘে বসছে পানি সম্মেলন: আসছে ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস। আন্তর্জাতিকভাবে এবারের দিবসটি পাচ্ছে নতুন মাত্রা। দিনটিতে জাতিসংঘে তিন দিনব্যাপী আয়োজন হচ্ছে ‘ওয়াটার কনফারেন্স’। ২২ মার্চ নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়ে উদ্বোধন হবে বৈশ্বিক এই আয়োজনের। সমাপনী অনুষ্ঠান হবে ২৪ মার্চ। টানা ৪৬ বছর পর অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলন থেকেই আসবে শক্তিশালী ওয়াটার অ্যাকশন অ্যাজেন্ডা, থাকবে স্টেকহোল্ডারদের প্রতিশ্রুতি। বাংলাদেশ থেকে সরকারি উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল যোগ দেবে এই সম্মেলনে।  এর আগে ১৯৭৭ সালে আর্জেন্টিনার মার ডেল প্লাতায় হয়েছিল সর্বশেষ পানি সম্মেলন। সেদিক থেকে এবারের সম্মেলনে বিশ্বের অনেক দেশের রয়েছে বাড়তি মনোযোগ। আয়োজক পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সম্মেলনের প্রাথমিক লক্ষ্য— বৈশ্বিক পানি সংকট নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং পানি সম্পর্কিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে আন্তর্জাতিকভাবে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। পাশাপাশি সম্মেলনের মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— একটি শক্তিশালী ‘ওয়াটার অ্যাকশন এজেন্ডা’ তৈরি করা, যা জাতিসংঘের সদস্য দেশ ও স্টেকহোল্ডারদের প্র...