76 bullet wounds to the body of Eamon in the student uprising Skip to main content

Featured Post

Murder of judge's son, accused's confessional statement in court

রাজশাহী  মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত

76 bullet wounds to the body of Eamon in the student uprising

 ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান 

ইমনের শরীরে লাগে ৭৬টি ছররা গুলি

introduction to the middle east,the troubles,facts about the 70s,facts about the 1970s,reaction to convicts receiving a life sentence,reacting to life sentences,guilty convicts reacting to life sentences,5 craziest convict reactions to a life sentence,convict reactions to a life sentence,life in prison reaction,the 70s,the 1970s,convicts react to life sentences,demon,embassies in nairobi,aprendizado de marketing,craziest court cam moments

 ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান 

ইমনের শরীরে লাগে ৭৬টি ছররা গুলি

ইমন আহমদের (৪২) শরীরে, মাথায় ৭৬টি ছররা গুলি লেগেছিল।এর থেকে ৪টি বের করা হয়েছে।এখন আছে ৭২টি।শরীর ও মাথায় গেঁথে থাকা এই ছররা গুলির কষ্ট নিয়ে বাড়িতেই এখন বসে, শুয়ে দিন কাটছে তাঁর।প্রায় এক মাস ধরে ব্যবসাকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে আছে।আরও এক মাসের আগে দোকানে ফেরা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন না তিনি।  

ইমন আহমদের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের পশ্চিম দীঘলগজি গ্রামে।স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে তাঁর সংসার।এখন এই সংসার চলছে বড় এক ভাই ও পরিচিতজনদের টুকটাক আর্থিক সহযোগিতায়।

এদিকে শরীর থেকে সব কটি ছররা গুলি আদৌ বের হবে কি না, তা তাঁর জানা নেই। মঙ্গলবার সকালে পাহাড়ি উঁচু–নিচু পথ মাড়িয়ে ইমন আহমদের বাড়িতে পৌঁছে দেখা গেল, তিনি ঘুম থেকে উঠেছেন।ঘুমের আমেজ তখনো চোখেমুখে লেগে আছে।টিলার ওপর টিনের তৈরি আধাপাকা বাড়ি।

শরীরভরা গুলি নিয়ে বাড়িতেই এখন তাঁর সময় কাটছে।  ইমন জানিয়েছেন, গত ৪ আগস্ট অন্যান্য দিনের মতো বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি তাঁর কাজের স্থানে যান।মৌলভীবাজার শহরতলির চাঁদনীঘাটে তাঁর গাড়ি মেরামতের একটি দোকান আছে।ওই দিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মৌলভীবাজার শহর উত্তাল হয়ে উঠেছিল।তিনি আর চুপ থাকতে পারেননি।আন্দোলনে শরিক হন।   

৪ আগস্ট দুপুর দুইটার দিকে ইমন মৌলভীবাজার শহরের টিসি মার্কেট এলাকায় যান।পুলিশের ধাওয়া খেয়ে আবার চাঁদনীঘাটের দিকে ফিরে আসেন।বিকেল ৪টার দিকে ছাত্রদের সঙ্গে টিসি মার্কেট এলাকায় গেলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল নিক্ষেপ করে।

এরপর ছররা গুলি ছুড়তে থাকে।ধাওয়া খেয়ে আন্দোলনকারীরা চাঁদনীঘাটের দিকে সরতে থাকেন।এ সময় পুলিশ প্রায় কাছাকাছি অবস্থান থেকে গুলি করায় তাঁর শরীরে অনেকগুলো ছররা গুলি লাগে।  ইমনকে রাজনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান আশপাশের লোকজন।সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে।

৬ আগস্ট উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।সেখান থেকে রাতে যান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।পরের দিন তিনি মৌলভীবাজারে নিজের বাড়িতে ফিরে আসেন।২০ আগস্ট আবার তাঁকে নিয়ে ভর্তি করা হয় সিলেটের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ)।সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর পিঠ ও মাথায় ৭৬টি ছররা গুলি থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।এর মধ্যে চারটি ছররা গুলি বের করা হয়েছে।৭২টি ছররা গুলি পিঠ ও মাথায় আটকে আছে।

পিঠের ডান দিক এবং মাথার ডান-বাম দুই দিকেই ছররা গুলি আছে।  কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না বলে দাবি ইমন আহমদের।তবে করোনায় মারা যাওয়া রোগীর লাশ দাফনের জন্য করা সংগঠন তাকরীম ফাউন্ডেশনের একজন সদস্য তিনি।তিনি বলেন, ‘আমরা কাম (কাজ) করি।সবাই মিল-মহব্বত লইয়া (নিয়ে) এলাকায় থাকি।

আমরা চাই এ রকম সবাই মিলেমিশে থাকতাম।হিংসা, প্রতিহিংসা, প্রতিশোধ;এটা ঠিক না।হিন্দু-মুসলিম বলে কিছু নেই।সবাই এক দেশের মানুষ।’ তিনি চান, গুলি খাওয়ার পর এখন তিনি একজন অসুস্থ মানুষ।তাঁর সন্তানেরা যেন পড়ালেখা করে চাকরি-বাকরি করতে পারে, এমন একটা ব্যবস্থা করা হোক, এটুকুই সরকারের কাছে চাওয়া।




Comments

Popular posts from this blog

Murder of judge's son, accused's confessional statement in court

রাজশাহী  মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত

The country's largest Friday prayer was held at Biswa Ijtema Maidan in Tongi

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ  মাওলানা সাদ অনুসারীদের দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমার শুরুর দিনটা শুক্রবার পড়েছে। টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ।  তুরাগ নদের তীরে ইজতেমা ময়দানে লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় ইজতেমা ময়দানে জুমার আজান হয়। দেড়টায় শুরু হয় খুতবা।  এরপর ১টা ৫০ মিনিটে নামাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ১টা ৫৫ মিনিটে। জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদের বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।  ইজতেমার নিজামউদ্দিন অনুসারী দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  শুক্রবার বাদ ফজর থেকেই দ্বীন, ইমান এবং আখলাকের ওপর ইজতেমার দেশ-বিদেশের শীর্ষ মুরুব্বিরা বয়ান করছেন।  তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ

6-member investigation committee formed into airport fire incident

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করেছে । পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ, ক্ষয়ক্ষতি ও দায়দায়িত্ব নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  মো. নওসাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বি জ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চিফ (ফ্লাইট সেফটি)।  এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি থাকবেন সদস্য হিসেবে।  কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, মহাব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেফটি অ্যান্ড কোয়ালিটি), চিফ ইঞ্জিনিয়ার (কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স), উপ-মহাব্যবস্থাপক (সিকিউরিটি), উপ-মহাব্যবস্থাপক (কার্গো-রপ্তানি) এবং উপ-ব্যবস্থাপক (ইন্স্যুরেন্স)।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কমিটি অগ্নিকাণ্ডের কারণ চিহ্নিত করা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ, দায়-দায়িত্ব নিরূপণ এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশ তৈরি করবে।  কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওর কাছে তদন্ত...