রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত
গ্রেফতারের তালিকায় সাবেক বর্তমান ৯৪ পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের তালিকায় সাবেক বর্তমান ৯৪ পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক দুই আইজিপি-একেএম শহীদুল হক এবং চৌধুরী আবদুল্লাহ-আল-মামুনকে গ্রেফতারের পর বুধবার রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। পুলিশের বর্তমান ও সাবেক আরও অন্তত ৯২ কর্মকর্তার পরিণতি এ দুজনের মতো হতে পারে। কারণ, তাদের বিরুদ্ধেও রাজধানীর বিভিন্ন থানায় অসংখ্য মামলা হয়েছে। তারা ধাপে ধাপে গ্রেফতার হতে পারেন। এসবের মধ্যে ২৭৬টি মামলার পরিসংখ্যান যুগান্তরের হাতে এসেছে। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাবেক আইজিপি শহীদুল হকের নামে সাতটি ও চৌধুরী আবদুল্লাহ-আল-মামুনের নামে ৩৬টি মামলা আছে। সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (সাবেক এসবিপ্রধান) মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১১টি এবং সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৩৩টি মামলা হয়েছে। সাবেক র্যাব ডিজি হারুন-অর-রশীদের নামে পাঁচটি এবং ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তারের নামে ছয়টি মামলা করা হয়েছে। এছাড়া ডিএমপি ডিবির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ ৩৭, সাবেক যুগ্মকমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ২৭, এসএম মেহেদী হাসান আট এবং ওয়ারী বিভাগের...