Universal Bangladesh Skip to main content

Posts

Showing posts with the label earth

Featured Post

https://search.google.com/search-console?utm_source=about-page&resource_id=https://awameleuge.blogspot.com/

 প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অনেকের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারছি না  এ কারণে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু এখনো গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, দয়া করে বিষয়টি ভুলভাবে নেবেন না। আপনাদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা সবসময়ই আমার জন্য মূল্যবান। সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।

Asteroid is approaching, will destroy the Earth, NASA warns

  ধেয়ে আসছে গ্রহাণু, ধ্বংস হবে পৃথিবী, অশনি ইঙ্গিত দিল নাসা ধেয়ে আসছে বিরাট আকারের গ্রহাণু। ফলে নতুন করে চিন্তার কথা শোনা গেল নাসার বিজ্ঞানীদের মুখে।  নাসার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে একটি বিরাট আকারের গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে এটি আকারে অতি বড়।  এই গ্রহাণুটি ৩৭০ ফুট চওড়া। এর নাম ২০২৩ কেইউ। এটি পৃথিবীর দিকে প্রতি ঘন্টায় ৬৪ হাজার কিলোমিটার বেগে ছুটে আসছে।  এককথায় বলতে হলে এই গ্রহাণুটির আকার প্রায় একটি ৩৫ তলা বাড়ির সমান।  এটি অতি ঝড়ের বেগে শুক্রবার পৃথিবীর ধার দিয়ে চলে যাবে। যে গতিতে এটি পৃথিবীর ধার দিয়ে যাবে তাতে বেশ খানিকটা হলেও চিন্তায় পড়েছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।  তারা মনে করছেন যদি শেষবেলায় গতি বাড়িয়ে বা নিজের কক্ষপথ পরিবর্তন করে যদি এটি পৃথিবীতে আঘাত করে তাহলে সেটি হবে অতি ভয়ঙ্কর।  শুক্রবার অর্থাৎ ১১ এপ্রিল রাত ৯ টা বেজে ৫ মিনিটে পৃথিবীর ধার দিয়ে চলে যাবে এই বিরাট আকারের গ্রহাণুটি। পৃথিবী থেকে ১ মিলিয়ন দূর থেকে চলে যাবে এই গ্রহাণুটি।  তবে যে গতিতে এটি যাবে সেখানে কিছুটা হলেও পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের এর প্রভাব থাকবে বলেই মনে করছে নাসার বিজ্ঞানীরা।  ...

You may lose your sight, there is a fear of cancer, what are the challenges for Sunitas when she returns to earth?

  দৃষ্টিহীন হয়ে যেতে পারেন, রয়েছে ক্যানসারের ভয়, পৃথিবীতে ফিরে সুনীতাদের কাছে কী কী চ্যালেঞ্জ? দীর্ঘ ন’মাস পর ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে পৃথিবীতে ফিরছেন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস এবং বুচ উইলমোর।  মহাকাশযানের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফেরার সূচি বদল করতে হয়েছে তাদের। কিন্তু পৃথিবীতে ফিরেও তাদের একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।  জানা যাচ্ছে, মহাকাশ ভ্রমণ দীর্ঘস্থায়ী হলে মানব শরীরের উপর নানা প্রভাব পড়ে।মূলত, হাড় ও পেশির ক্ষয়, রেডিয়েশন, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা তো থাকেই।  সবকিছুর পর মানসিক চাপ কাটিয়ে ওঠাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ন’মাস পর পৃথিবীতে ফিরে তাদের শরীরের অবস্থা কেমন তা পরীক্ষা করে দেখবেন চিকিৎসকরা।  বর্তমানে কী অবস্থায় রয়েছেন মহাকাশচারীরা তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। পৃথিবীতে মানব শরীর সবসময় মহাকর্ষণের বিরুদ্ধে কাজ করে।  ফলে, হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মহাকাশে থাকাকালীন বিভিন্ন ব্যায়াম করলেও এই সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ভারসাম্যের সমস্যাও একটি বড় বিষয়।  পরিসংখ্যান বলছে, মহাকাশ থেকে ফিরে নভোচারীরা ৪৫ দিনের একটি ট্রেনিংয়ের পর ধীরে ...