রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ইমনের শরীরে লাগে ৭৬টি ছররা গুলি ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ইমনের শরীরে লাগে ৭৬টি ছররা গুলি ইমন আহমদের (৪২) শরীরে, মাথায় ৭৬টি ছররা গুলি লেগেছিল।এর থেকে ৪টি বের করা হয়েছে।এখন আছে ৭২টি।শরীর ও মাথায় গেঁথে থাকা এই ছররা গুলির কষ্ট নিয়ে বাড়িতেই এখন বসে, শুয়ে দিন কাটছে তাঁর।প্রায় এক মাস ধরে ব্যবসাকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে আছে।আরও এক মাসের আগে দোকানে ফেরা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন না তিনি। ইমন আহমদের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের পশ্চিম দীঘলগজি গ্রামে।স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে তাঁর সংসার।এখন এই সংসার চলছে বড় এক ভাই ও পরিচিতজনদের টুকটাক আর্থিক সহযোগিতায়। এদিকে শরীর থেকে সব কটি ছররা গুলি আদৌ বের হবে কি না, তা তাঁর জানা নেই। মঙ্গলবার সকালে পাহাড়ি উঁচু–নিচু পথ মাড়িয়ে ইমন আহমদের বাড়িতে পৌঁছে দেখা গেল, তিনি ঘুম থেকে উঠেছেন।ঘুমের আমেজ তখনো চোখেমুখে লেগে আছে।টিলার ওপর টিনের তৈরি আধাপাকা বাড়ি। শরীরভরা গুলি নিয়ে বাড়িতেই এখন তাঁর সময় কাটছে। ইমন জানিয়েছেন, গত ৪ আগস্ট অন্যান্য দিনের মতো বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি তাঁর কাজের স্থানে য...