রহনপুরে গ্রামবাংলার পিঠা উৎসব পালিত Skip to main content

Featured Post

Murder of judge's son, accused's confessional statement in court

রাজশাহী  মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত

রহনপুরে গ্রামবাংলার পিঠা উৎসব পালিত


রহনপুরে গ্রামবাংলার পিঠা উৎসব পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার প্রানকেন্দ্র রহনপুরে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য পৌষ মাসে পিঠা-পুলির উৎসব পালিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দিনব্যাপি রহনপুর পৌর এলাকার বাবুরঘোন মহল্লায় এ পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছরের মতো গ্রামবাংলার এ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য উত্তর রহনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মমতাজ বেগমের এ আয়োজন করেন। এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের প্রিয় শিক্ষককে এ নবান্ন উৎসবে অংশ নেয়ার জন্য প্রতিবছর তারা তিন কেজি করে সংগ্রহ করা মাঠের ধান দিয়ে থাকে। প্রায় শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসী উৎসাহী হয়ে এ পিঠা উৎসবে অংশ নেন।
লাল-হলুদ শাড়ি, কাঁচা ফুলের মালা পরে ছাত্র-ছাত্রীসহ সকল বয়সের নারী-পুরুষ সারাদিন পিঠা তৈরি ও নাচে-গানে মেতে উঠে। ঢেঁকি ও যাঁতার শব্দে উৎসবটিতে একটি অন্যরকম মাত্রা যোগ করেছে। ছেলে-মেয়েদের সংগ্রহ করা ধান থেকে ঢেঁকি ছাঁটা চাল যাঁতায় পিসে তৈরি করা আটা দিয়ে হরেক রকমের পিঠা-পুলি খেতে আসেন জনসাধারণ। আবার প্যাকেট করে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বাসায় পৌঁছে দেয়া হয় এ পিঠা। পিঠা খেতে আসা উৎসুক অতিথিদের গ্রাম-বাংলার সংগীত গেয়ে আনন্দ দেয় ওই ছাত্র-ছাত্রীরা। গ্রামের এ ঐতিহ্যকে উৎসাহ যোগাতে আসেন রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এ ব্যাপারে শিক্ষক মমতাজ বেগম জানান, তার নানা-নানীরা বহুযুগ ধরে বিভিন্ন ধরনের পিঠা-পুলি বানিয়ে গ্রামের কৃষাণ-কৃষাণীদের দাওয়াত করে খাওয়াতেন। সেই থেকেই এ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে প্রতিবছর গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে এ উৎসবটি পালন করে আসছেন। তাকে এ কাজে সহযোগিতা ও উৎসাহ যুগিয়ে আসছেন বড়বোন কলেজ শিক্ষক শামিমা আখতার ও এলাকার কৃষাণীরা। বিকেলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক মো. হাবিবুল্লাহ, ১ নম্বর ওয়ার্ড পৌর কাউন্সিলর জাহিদ হাসান মুক্তা ও ১,২,৩ মহিলা কাউন্সিলরবৃন্দ, প্রভাষক আকতারুল ইসলাম ও শফিকুল ইসলাম, শিক্ষক সাদিকুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পরে স্থানীয় শিল্পীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গম্ভীরা পরিবেশন করেন।

Comments