রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত
দ্বিতীয়বার মা হয়ে সালমার মন ভালো হলো
‘খুব খারাপ থাকত মনটা। মেয়েটাকে দেখতে পেতাম না। ফোনেও কথা বলার সুযোগ পেতাম না। মাঝেমধ্যে কাজের মেয়েকে ফোন দিয়ে মেয়ের সঙ্গে কথা বলতাম। এখন মনটা কিছুটা ভালো লাগছে। আবার নিজের মেয়ের মুখ দেখছি। মেয়েকে বুকে নিয়ে ঘুমাতে পারছি’, বললেন সংগীতশিল্পী সালমা। তাঁর দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের বয়স ৭ দিন। ১ সেপ্টেম্বর তাঁর এই সন্তান পৃথিবীতে আলোর মুখ দেখেছে। সালমা ভীষণ খুশি। আজ শনিবার বিকেলে খুশির খবরটি দিতে গিয়ে আফসোস করেন সালমা।
আফসোসের একটিই কারণ, প্রথম কন্যা স্নেহা তাঁর কাছে নেই, থাকে বাবার সঙ্গে। সালমার অভিযোগ, মেয়ের বাবা সালমার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। সেই শূন্যতা থেকে দ্বিতীয়বার মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সালমা বলেন, ‘বাচ্চাটা যখন পেটে ছিল, তখন অনেক ঝড়ঝাপটা বয়ে গেছে আমার সংসারের ওপর দিয়ে। আমার স্বামী তখন লন্ডনে ছিলেন। ওর প্রথম স্ত্রী মামলা করেছিলেন। আমি দেশে একা। বাচ্চা পেটে নিয়ে সবকিছু একা সামলাতে হয়েছে। এসব নিয়ে খুব টেনশনে ছিলাম। তাই খুশির খবরটা জানাতে দেরি হয়ে গেছে।’
১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। বর্তমানে মা মেয়ে বাসায় আছেন, সুস্থ আছেন। মেয়ের নাম রাখা হয়েছে সাফিয়া নূর। গত ৩১ ডিসেম্বর লোকগানের এই শিল্পী পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন সানাউল্লাহ নূরে সাগরকে। এটি সালমা ও সানাউল্লাহর দ্বিতীয় বিয়ে।২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি সালমা ও শিবলী সাদিক বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
পুরো বিষয়টা ছিল দুই পরিবারের সম্মতিতে। ২০১২ সালে ১ জানুয়ারি তাঁদের সংসারে কন্যাসন্তান স্নেহার জন্ম হয়। সাংসারিক দ্বন্দ্বের কারণে ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বরে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তখন সিদ্ধান্ত হয়েছিল সপ্তাহের তিন দিন থাকবে বাবার কাছে, চার দিন থাকবে মায়ের কাছে। সালমা বলেন, ‘আমি চাই আমার বাচ্চাটা মা-বাবা দুজনেরই আদর পেয়ে বড় হোক। কারও অভাব যেন ও বুঝতে না পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি আর কনটিনিউ হয়নি।’



susangbad misty mukh
ReplyDelete