Japan, Britain and Italy are united in the production of warplanes Skip to main content

Featured Post

https://search.google.com/search-console?utm_source=about-page&resource_id=https://awameleuge.blogspot.com/

 প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অনেকের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারছি না  এ কারণে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু এখনো গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, দয়া করে বিষয়টি ভুলভাবে নেবেন না। আপনাদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা সবসময়ই আমার জন্য মূল্যবান। সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।

Japan, Britain and Italy are united in the production of warplanes

  জাপান, ব্রিটেন ও ইতালি যুদ্ধবিমান তৈরিতে ঐক্যবদ্ধ 


পরবর্তী প্রজন্মের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য নিজেদের প্রকল্প গুলোকে একীভূত করছে জাপান, ব্রিটেন ও ইতালি। এই অংশীদারিত্ব বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এটি ইউরোপ ছাড়িয়ে এশিয়াক যুক্ত করেছে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে এটিই জাপানের বড় ধরনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় যুক্ত হওয়া। শুক্রবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। এই যৌথ যুদ্ধবিমান প্রকল্পের চুক্তির বিষয়ে জুলাই মাসে প্রথম খবর প্রকাশ করেছিল রয়টার্স। এর আওতায় ২০৩৫ সালের মধ্যে এমন একটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান তৈরি করা হবে যা হবে ব্রিটেনের ফিউচার কম্ব্যাট এয়ার সিস্টেম প্রজেক্ট (টেম্পেস্ট হিসেবে পরিচিত), জাপানের গ্লোবাল কম্ব্যাট এয়ার প্রোগ্রামকে সমন্বিত করে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ এবং জাপান ও তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক কর্মকান্ডের মুখে এই চুক্তি জাপানকে চীনের সামরিক শক্তি মোকাবিলায় দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে। আর এই অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবে ব্রিটেন।




ব্রিটেনের বিএই সিস্টেমস পিএলসি, জাপানের মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ ও ইতালির লিওনার্দো কোম্পানি এই যুদ্ধবিমান নকশার কাজে নেতৃত্ব দেবে। এতে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার যুদ্ধের সামর্থ্য থাকবে। ইউরোপীয় ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাতা এমবিডিএ এই প্রকল্পে যুক্ত হবে। সঙ্গে থাকবে মিতসুবিশি ইলেক্ট্রিক কর্প, রোলস-রয়েস পিএলসি, আইএইচআই কর্প এবং আভিও অ্যারো যুদ্ধবিমানটির ইঞ্জিন তৈরিতে কাজ করে। অবশ্য প্রকল্পটি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, কাজের বণ্টন কীভাবে এবং কোথায় হবে– এমন অনেক বিষয়ে বিস্তারিত নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি দেশ তিনটি। এসব বিষয়ে তারা আগামীতে সিদ্ধান্ত নেবে। তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন

Comments

  1. এ বিষয়ে তারা আগামীতে সিদ্ধান্ত নেবে।

    ReplyDelete

Post a Comment

Popular posts from this blog

Murder of judge's son, accused's confessional statement in court

রাজশাহী  মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত

The country's largest Friday prayer was held at Biswa Ijtema Maidan in Tongi

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ  মাওলানা সাদ অনুসারীদের দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমার শুরুর দিনটা শুক্রবার পড়েছে। টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ।  তুরাগ নদের তীরে ইজতেমা ময়দানে লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় ইজতেমা ময়দানে জুমার আজান হয়। দেড়টায় শুরু হয় খুতবা।  এরপর ১টা ৫০ মিনিটে নামাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ১টা ৫৫ মিনিটে। জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদের বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।  ইজতেমার নিজামউদ্দিন অনুসারী দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  শুক্রবার বাদ ফজর থেকেই দ্বীন, ইমান এবং আখলাকের ওপর ইজতেমার দেশ-বিদেশের শীর্ষ মুরুব্বিরা বয়ান করছেন।  তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ

India is on fire, 40,000 affected by heatstroke, 192 vagrants died in the summer in Delhi!

  দাবদাহে পুড়ছে ভারত, হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত ৪০ হাজার, দিল্লিতে গরমে ১৯২ ভবঘুরের মৃত্যু! চলতি গ্রীষ্ম রেকর্ড গরমের সাক্ষী হয়েছে ভারত। দাবদাহের ভয়াবহতা চরমে পৌঁছেছে। দাউদাউ গরমে গত তিন দিনে কেবল দিল্লি, নয়ডাতেই ১৫ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।  এবার জানা গেল, গত সাড়ে তিন মাসে তপ্ত কড়াইয়ের ভারতে ৪০ হাজার মানুষ হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন!  অন্যদিকে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দাবি, ১১ থেকে ১৯ জুনের মধ্যে গরমে ১৯২ জন ভবঘুরের মৃত্যু হয়েছে রাজধানীতে।  এদিকে প্রকৃতির খামখেয়ালিপনার সাক্ষী উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি। উত্তর ও মধ্য ভারত যখন বৃষ্টির অপেক্ষায় চাতক, তখন অসম-সহ একাধিক রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।  আবহ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এবার ভয়ংকরতম গ্রীষ্মের সাক্ষী গোটা এশিয়াই। ভারতের উত্তরাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে গড় তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রির আশপাশে থাকছে।  জলবায়ুর এই পরিবর্তনের জন্য দায়ী মানব সভ্যতা। আরও ভালো করে বললে ‘উন্নয়ন’। গত মার্চের পর থেকেই ক্রমশ অসহনীয় হয়েছে উঠেছে দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপামাত্রা।  সূর্যের লেলিহান উনুনে পুড়ে আকাশে উড়তে উড়তে বহু পাখির মৃত্যু হচ্...