West Bengal wants to remove Teesta water? Skip to main content

Featured Post

Murder of judge's son, accused's confessional statement in court

রাজশাহী  মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত

West Bengal wants to remove Teesta water?

 teesta river,west bengal,importance of teesta river for west bengal,teesta water pact,teesta,teesta river water issue,teesta river dispute between india and bangladesh,teesta river issue,teesta river dispute,modi agreement teesta river
তিস্তার পানি সরাতে চাইছে পশ্চিমবঙ্গ?

পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার তিস্তার উজানে একাধিক নতুন ছোট ছোট জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে, যা ওই নদীর প্রবাহ থেকে আরও পানি সরিয়ে নেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিস্তা থেকে পানির ন্যায্য হিসসা পাওয়া যাচ্ছে না বলে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে বাংলাদেশ। 

পশ্চিমবঙ্গের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেই অভিযোগের ক্ষোভ নিশ্চয়ই আরও বাড়বে। কলকাতার ইংরেজি দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এ সংক্রান্ত এক আভাস পাওয়া গেছে। খবর প্রকাশের তিনদিন পরও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিবাদ আসেনি বা খবরটি তারা অস্বীকারও করেননি। 

যার ভিত্তিতে ধরে নেওয়া যেতে পারে, এই দাবির সত্যতা আছে। তিস্তার উপনদী বড় রঙ্গিত, পশ্চিমবঙ্গের পরিকল্পিত প্রকল্পগুলো এই নদীর বুকেই বসানোর কথা ভাবা হচ্ছে। 

এমন তথ্য উল্লেখ করে দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তিস্তার উপনদী বড় রঙ্গিতের ওপর তিস্তা লো ড্যাম প্রোজেক্ট (টিএলডিপি) ১ ও ২ নামে দুটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কথা ভাবা হয়েছে, যে দুটোর মোট উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৭১ মেগাওয়াট।

এই প্রকল্পের ডিটেলড প্রোজেক্ট রিপোর্ট (ডিপিআর) প্রস্তুত করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার সংশ্লিষ্ট দফতরকে সবুজ সংকেতও দিয়ে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, তিস্তা ব্যারেজ প্রজেক্টের অধীনে আরও দুটি খাল কাটার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে জমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন করেছে। সম্প্রতি সেই খবরও প্রকাশ্যে এসেছে। 

এই দুটি খাল কাটা শেষ হলে সেচের জন্য আরও বেশি পরিমাণে পানি তিস্তা থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। অর্থাৎ ডিপিআর তৈরির জন্য সরকারি অনুমোদন পাওয়া গেছে ইতোমধ্যেই। এতে আরও বলা হয়েছে, বড় রঙ্গিত তিস্তার একটি প্রধান উপনদী, যার পানি পুরোটাই এসে তিস্তায় মেশে। 

ফলে এই সব প্রকল্পের জন্য বড় রঙ্গিতের পানিতে টান পড়লে শেষ পর্যন্ত তার প্রভাব পড়বে তিস্তাতেই। আর এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশে আরও কম পানি যাবে। তিস্তা আন্তর্জাতিক স্তরেও এমন একটি স্পর্শকাতর ইস্যু, যে বিষয়টি নিয়ে সরকারি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে কেউই মুখ খুলতে চাইছেন না।

তবে প্রকল্পটির কাজ যে এগোচ্ছে, তা তারা দ্য টেলিগ্রাফের কাছে স্বীকার করেছেন। কালিঝোরাতে তিস্তার বুকে একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই চালু। এছাড়া ‘তিস্তা মহানন্দা লিংক ক্যানাল’ নামেও ওই রাজ্যে একটি কৃত্রিম সংযোগ খাল বহু বছর ধরেই চালু আছে– যা পশ্চিমবঙ্গের গাজলডোবা থেকে শুরু হয়ে তিস্তার জলের একটা বড় অংশ ২৬ কিলোমিটার দূরে মহানন্দা নদীতে এনে ফেলছে। 

সব মিলিয়ে বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র, সেচ খাল বা লিংক ক্যানালের মাধ্যমে তিস্তার জলপ্রবাহের একটা বড় অংশ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে, বড় রঙ্গিত নদীর ওপর দুটি নতুন প্রকল্প চালু হলে যার পরিমাণ অবশ্যই আরও বাড়বে। অথচ, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যেকার তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষরে প্রধান বাধা হিসেবে যাকে চিহ্নিত করা হয়, 

সেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বারবারই বলে থাকেন, ‘তিস্তা তো শুকিয়ে গেছে। যে নদীতে পানিই নেই, তার পানি কীভাবে ভাগাভাগি করা সম্ভব?’ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, তিস্তায় পানির প্রবাহ যদি সত্যিই কমে থাকে, তাহলে তার পেছনে মমতা ব্যানার্জির সরকারের ভূমিকাও মোটেও কম নয়।

তিস্তা নদীর উৎস ভারতের যে রাজ্যে, সেই সিকিমও অবশ্য নদীর বুকে একের পর এক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বসিয়ে বা সেচ খাল কেটে একই কাজ করছে। তবে সিকিম বা পশ্চিমবঙ্গ সরকার সব সময়ই একটা কথা বলে থাকে, তারা তিস্তার ওপর যে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো তৈরি করেছে তার সবগুলোই ‘রান অব দ্য রিভার’ প্রজেক্ট – 

অর্থাৎ নদীর জল নিয়ে টার্বাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আবার সেই জল নদীতেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়, একটা ফোঁটাও নষ্ট হয় না। অন্যভাবে বললে, এই প্রকল্পগুলো নদী থেকে কোনও জল সরায় না বলেই সরকারের দাবি। তবে পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলাদেশের অনেক নদী-বিশেষজ্ঞই আবার এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন। 

শিলিগুড়িতে নর্থবেঙ্গল ইউনিভার্সিটির হিমালয়ান স্টাডি সেন্টারের অধ্যাপক মৈত্রেয়ী চৌধুরী যেমন বাংলা ট্রিবিউনকে বলছিলেন, ‘এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো যে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে ব্যাহত করে তাতে কোনও সন্দেহই নেই।

’ ‘এই তিস্তাতেই আপনি যদি কালিঝোরা ছাড়িয়ে তিস্তাবাজারের দিকে যান, দেখবেন নদী ওখানে থমকে গিয়ে লেকের মতো স্থির হয়ে আছে। তিস্তার যে স্বাভাবিক প্রাণোচ্ছ্বলতা, যে জলোচ্ছ্বাস– তার সবই যেন উধাও!’, বলছিলেন মৈত্রেয়ী চৌধুরী। 

এছাড়া যে কোনও নতুন প্রকল্প মানেই আশেপাশে জঙ্গল কেটে সাফ করতে হয়, আর গাছপালা নির্মূল হলে মাটির পানিধারণ ক্ষমতাও অনেক কমে যায়। ফলে বর্ষাকালে মাটি পানি ধরে রাখতে পারে না, সোজা সেটা নদীতে পড়ে বয়ে যায়– আর শুষ্ক মৌসুমে নদী খটখট করতে থাকে! 

সে কারণেই বড় রঙ্গিতের ওপর ৭১ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আরও দুটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হলে বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমের তিস্তা যে আরও মৃতপ্রায় হয়ে পড়বে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের কোনও সন্দেহই নেই। ভোগান্তি আরও বাড়বে বাংলাদেশের তিস্তাপাড়ের কৃষকদের। তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

Murder of judge's son, accused's confessional statement in court

রাজশাহী  মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত

The country's largest Friday prayer was held at Biswa Ijtema Maidan in Tongi

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ  মাওলানা সাদ অনুসারীদের দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমার শুরুর দিনটা শুক্রবার পড়েছে। টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ।  তুরাগ নদের তীরে ইজতেমা ময়দানে লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় ইজতেমা ময়দানে জুমার আজান হয়। দেড়টায় শুরু হয় খুতবা।  এরপর ১টা ৫০ মিনিটে নামাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ১টা ৫৫ মিনিটে। জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদের বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।  ইজতেমার নিজামউদ্দিন অনুসারী দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  শুক্রবার বাদ ফজর থেকেই দ্বীন, ইমান এবং আখলাকের ওপর ইজতেমার দেশ-বিদেশের শীর্ষ মুরুব্বিরা বয়ান করছেন।  তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ

6-member investigation committee formed into airport fire incident

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করেছে । পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ, ক্ষয়ক্ষতি ও দায়দায়িত্ব নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  মো. নওসাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বি জ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চিফ (ফ্লাইট সেফটি)।  এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি থাকবেন সদস্য হিসেবে।  কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, মহাব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেফটি অ্যান্ড কোয়ালিটি), চিফ ইঞ্জিনিয়ার (কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স), উপ-মহাব্যবস্থাপক (সিকিউরিটি), উপ-মহাব্যবস্থাপক (কার্গো-রপ্তানি) এবং উপ-ব্যবস্থাপক (ইন্স্যুরেন্স)।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কমিটি অগ্নিকাণ্ডের কারণ চিহ্নিত করা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ, দায়-দায়িত্ব নিরূপণ এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশ তৈরি করবে।  কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওর কাছে তদন্ত...