রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে পরীর জন্মদিন
হালের জনপ্রিয় নায়িকাদের অন্যতম পরীমনি। ২০১৫ সালে ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ ছবির মাধ্যমে তার বড় পর্দায় অভিষেক হয়। মাত্র তিন বছরের ক্যারিয়ারে ২০টির মতো ছবিতে অভিনয় করে তিনি নিজের অভিনয় প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন। তার অভিনীত ছবিগুলোর মধ্যে গাগলা দিওয়ানা, নগর মাস্তান, মহুয়া সুন্দরী, আরো ভালোবাসবো তোমায়, রক্ত, ধূমকেতু, সোনা বন্ধু, অন্তর জ্বালা, স্বপ্নজাল অন্যতম। মিষ্টি চেহারার সেই নায়িকা পরীমনির আজ জন্মদিন। জীবনের ২৬টি বসন্ত পেরিয়ে ২৭ বছরে পা রাখলেন তিনি। ১৯৯২ সালের ২৪ অক্টোবর সাতক্ষীরা জেলায় তার জন্ম। জন্মের পর বাবা-মা পরীমনির নাম রাখেন শামসুন্নাহার স্মৃতি।
ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারানোর পর নায়িকা পিরোজপুরে তার নানার কাছে বড় হন। ২০১১ সালে তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং বাফায় নাচ শেখেন। পরে চলচ্চিত্রে এসে পরীমনি নাম ধারণ করেন। চলচ্চিত্রে আসার পর গত কয়েক বছর ধরে জন্মদিনের বিশেষ দিনটা পরীমনি রাজধানীর কিছু সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে কাটিয়ে আসছেন। এ বছরও সেই ধারাটা অব্যাহত রাখছেন অভিনেত্রী। ঠিক করেছেন, এবারও জন্মদিনে তিনি রাজধানীর একটি শিশু কেন্দ্রে যাবেন এবং সেখানকার কিছু সুবিধাবঞ্ছিত শিশুদের সঙ্গে জন্মদিনের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। জন্মদিনের পরিকল্পনা সম্পর্কে গণমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকাই ছবির এ নায়িকা। পাশাপাশি আজ বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে জন্মদিনের জমকালো আয়োজনেরও প্রস্তুতি নিয়েছেন পরীমনি। সেখানে কাছের বন্ধু-বান্ধবদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানান মিষ্টি হাসির এ নায়িকা। অনুষ্ঠানে ড্রেসকোড হিসেবে ছেলেদের কালো এবং মেয়েদের সোনালী রংয়ের পোশাক ব্যবহার করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া নিজের জন্যও বিশেষ ড্রেস বানিয়েছেন বলে জানান।
ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারানোর পর নায়িকা পিরোজপুরে তার নানার কাছে বড় হন। ২০১১ সালে তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং বাফায় নাচ শেখেন। পরে চলচ্চিত্রে এসে পরীমনি নাম ধারণ করেন। চলচ্চিত্রে আসার পর গত কয়েক বছর ধরে জন্মদিনের বিশেষ দিনটা পরীমনি রাজধানীর কিছু সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে কাটিয়ে আসছেন। এ বছরও সেই ধারাটা অব্যাহত রাখছেন অভিনেত্রী। ঠিক করেছেন, এবারও জন্মদিনে তিনি রাজধানীর একটি শিশু কেন্দ্রে যাবেন এবং সেখানকার কিছু সুবিধাবঞ্ছিত শিশুদের সঙ্গে জন্মদিনের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। জন্মদিনের পরিকল্পনা সম্পর্কে গণমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকাই ছবির এ নায়িকা। পাশাপাশি আজ বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে জন্মদিনের জমকালো আয়োজনেরও প্রস্তুতি নিয়েছেন পরীমনি। সেখানে কাছের বন্ধু-বান্ধবদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানান মিষ্টি হাসির এ নায়িকা। অনুষ্ঠানে ড্রেসকোড হিসেবে ছেলেদের কালো এবং মেয়েদের সোনালী রংয়ের পোশাক ব্যবহার করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া নিজের জন্যও বিশেষ ড্রেস বানিয়েছেন বলে জানান।


Comments
Post a Comment