প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অনেকের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারছি না এ কারণে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু এখনো গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, দয়া করে বিষয়টি ভুলভাবে নেবেন না। আপনাদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা সবসময়ই আমার জন্য মূল্যবান। সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধনেপাতার কাংখিত দাম পাচ্ছে না কৃষক
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শীতকালীন সব্জি ধনেপাতার চাষাবাদ বাড়লেও কাংখিত দাম না পেয়ে কৃষকরা হতাশায় ভুগছেন। আর এ সব্জি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে দিচ্ছে কৃষকরা। জানা গেছে, বর্ষার পানি নেমে যাবার পরপরই চরাঞ্চলের অনাবাদি জমিতে ধনেপাতার চাষ শুরু করে থাকেন কৃষকরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মা ও মহানন্দা বিধৌত চরাঞ্চলের চরবাগডাঙ্গা, সুন্দরপুর, শাহজাহানপুর, দেবীনগর, ইসলামপুর ও আলাতিুলসহ বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা স্থানীয় জাতের এই ধনেপাতার চাষ করে থাকে। কৃষি বিভাগের মতে স্বাদে, গন্ধে অতুলনীয় ধনে চাষ হয়েছে প্রায় সাড়ে ১’শ ৮৮ হেক্টর জমিতে, পাশাপাশি ভাল ফলনও হয়েছে । বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘা ধনেপাতা ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে প্রান্তিক কৃষক। চরাঞ্চলের ধনেপাতা ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলাম ও আহসান হাবিব জানান, এখানকার উৎপাদিত স্থানীয় জাতের এই ধনেপাতার চাহিদা থাকলেও, এবছর দাম একেবারে নি¤œপর্যায়ে। বিভিন্ন জেলাতে এর উৎপাদন হওয়ার কারণে এ অঞ্চলের ধনে পাতার চাহিদা কমে গেছে। তবে, সরাসরি প্রান্তিক কৃষকের কাছ থেকে ধনেপাতা কিনে লাভবান হচ্ছেন ক্ষুদ্র ব্যাপারীরা। সদর উপজেলা কৃষি অফিসার ড. জাহাঙ্গীর ফিরোজ জানান, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশী হয়েছে। অক্টোবর মাসে ১ম দিকে কৃষকরা ভাল দাম পেয়েছে। পরবর্তীতে কাংখিত দাম না পেলেও কৃষকরা ৩টি ফসল করে তা পুষিয়ে নিতে পারবে। এ ব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মঞ্জুরুল হুদা জানান, ১শ ৮৮ হেক্টর জমিতে ধনেপাতার আবাদ হয়েছে। অল্প পুঁজিতে লাভ বেশী হওয়ায়, ধনেপাতা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠে প্রান্তিক চাষীরা। তিনি আরো বলেন, এ বছর উৎপাদন বেশী হওয়ায় স্বাভাবিকভাবে ধনেপাতার দাম কমে গেছে।

Comments
Post a Comment