মহরতে চার মন্ত্রী, উড়ে এলেন নায়িকা Skip to main content

Featured Post

https://search.google.com/search-console?utm_source=about-page&resource_id=https://awameleuge.blogspot.com/

 প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অনেকের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারছি না  এ কারণে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু এখনো গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, দয়া করে বিষয়টি ভুলভাবে নেবেন না। আপনাদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা সবসময়ই আমার জন্য মূল্যবান। সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।

মহরতে চার মন্ত্রী, উড়ে এলেন নায়িকা


মহরতে চার মন্ত্রী, উড়ে এলেন নায়িকা

সিনেমার মহরতে একসঙ্গে চারজন মন্ত্রীর দেখা পাওয়া যায় না। আজ বুধবার ‘গাঙচিল’ সিনেমার মহরত যেন ছিল মন্ত্রীর মেলা। অনুষ্ঠানে আসা অতিথি ও সংবাদকর্মীরা তেমনটাই মন্তব্য করেছেন। কারণ ছবির গল্পকার ওবায়দুল কাদের নিজেই একজন মন্ত্রী। তাই তো মন্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা দেখাতে ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী মিলনায়তনে আজ বুধবার দুপুরে এসেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নিজেও। ছবির মহরতে অংশ নিতে গতকাল মঙ্গলবার রাতে কলকাতা থেকে এসেছেন চিত্রনায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, নায়ক-নায়িকা আর পরিচালক-প্রযোজকদের আগমনে ‘গাঙচিল’ সিনেমার মহরত ছিল জাঁকজমকপূর্ণ। কিছুদিন আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উপন্যাস নিয়ে ছবি নির্মাণের ঘোষণা দেন পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল। গত আগস্টের শেষ দিকে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁয় নায়ক-নায়িকার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়। আর আজ দুপুরে ঢাকা ক্লাবে মহরত অনুষ্ঠিত হয়।
নেয়ামূল জানান, আগামী অক্টোবরে ঢাকায় পাঁচ দিন ছবিটির শুটিং হবে। আর মাসের শেষ দিকে নোয়াখালীতে ছবির টানা শুটিং হবে।
নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল শুরুতে নাটক নির্মাণ করেন। তাঁর প্রথম ছবি ‘এক কাপ চা’। ‘গাঙচিল’ তাঁর দ্বিতীয় ছবি। বললেন, ‘আমার নতুন ছবির গল্প নোয়াখালীর একটি চর আর সেখানকার মানুষের জীবনের গল্প নিয়ে। উপন্যাসটি এরই মধ্যে যাঁরা পড়েছেন, তারা নিশ্চয়ই এ সম্পর্কে জানেন।’
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘আজ যে সিনেমার মহরত হচ্ছে, তাতে একটি দ্বীপের মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দের গল্প আছে। পরিচালক কীভাবে ফুটিয়ে তুলবেন, তা তিনিই বলতে পারবেন। তবে এটা বলতে পারি, যাঁর হাতে এই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে, তিনি একজন দক্ষ ব্যক্তি।’
সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘বড় পর্দা বিশাল ব্যাপার। আমদের বাংলা ছবির দর্শক হলো মা-মেয়েরা। তাঁরা একটা সময় ছবি দেখে চোখ মুছতে মুছতে বাড়ি ফিরতেন। এখন পরিবেশ না থাকায় প্রেক্ষাগৃহে তাঁরা যেতে পারেন না। শুধু মারদাঙ্গা গল্প হলে ছবি চলে না, একটা ছবিতে জীবনের গল্প থাকতে হবে। এই ছবির জন্য ওবায়দুল কাদেরকে ধন্যবাদ দিতে হয়, কারণ তিনি জীবনের গল্প নিয়ে এসেছেন।’
তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, ‘আমরা এখানে এসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের আরেকটা পরিচয় আবিষ্কার করেছি। তিনি একজন লেখকও বটে। আমাদের মধ্যে অনেক রাজনীতিবিদ আছেন, যাঁদের মধ্যে সুপ্ত প্রতিভা আছে। সংস্কৃতিকর্মী পরিচয়টি কিন্তু কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।’
‘গাঙচিল’ ছবির মাধ্যমে দীর্ঘ পাঁচ বছর বিরতির পর ছবির শুটিংয়ে ফিরছেন পূর্ণিমা। তিনি বললেন, ‘এটা আমার জন্য সৌভাগ্যের, কোনো মন্ত্রীর গল্প কিংবা উপন্যাসে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তাই তো প্রস্তাব পেয়ে সুযোগটা হাতছাড়া করতে চাইনি। বন্ধু ফেরদৌস বলার পর লুফে নিতে দেরি করিনি। আর নেয়ামূল ভাইয়ের সঙ্গে আগে কাজ করা হয়েছে, এবার ছবি করতে যাচ্ছি। তাও আবার পরপর দুটি ছবি। আশা করি আপনাদের সামনে ভালো ছবি উপহার দেব।’
ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলেন, ‘আমি অনেক দিন থেকে দুই বাংলার সেতুবন্ধ জোরালোভাবে করে আসছি। আরও ভালো কাজ করে আপনাদের মনের কাছাকাছি পৌঁছাতে চাই। এত ভালো একটা বিষয় নিয়ে ছবি হচ্ছে, সেটার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আনন্দিত। আমি মনে করি, বাংলা ছবিতে সাহিত্য আসা খুব প্রয়োজন। সাহিত্যের মাধ্যমে আমরা অনেক কিছু জানতে পারি। আমাদের জীবন, জীবনের ভেতরের অনেক না বলা বিষয় সাহিত্যিক আমাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। এই ছবিতে আছে ফেরদৌস, সে আমার খুব কাছের বন্ধু। সব সময় নিজেকে ভালো কাজের মধ্যে রেখেছে। উন্নতমানের শিল্পী হয়েছে।’

Comments

Popular posts from this blog

Murder of judge's son, accused's confessional statement in court

রাজশাহী  মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত

The country's largest Friday prayer was held at Biswa Ijtema Maidan in Tongi

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ  মাওলানা সাদ অনুসারীদের দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমার শুরুর দিনটা শুক্রবার পড়েছে। টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ।  তুরাগ নদের তীরে ইজতেমা ময়দানে লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় ইজতেমা ময়দানে জুমার আজান হয়। দেড়টায় শুরু হয় খুতবা।  এরপর ১টা ৫০ মিনিটে নামাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ১টা ৫৫ মিনিটে। জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদের বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।  ইজতেমার নিজামউদ্দিন অনুসারী দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  শুক্রবার বাদ ফজর থেকেই দ্বীন, ইমান এবং আখলাকের ওপর ইজতেমার দেশ-বিদেশের শীর্ষ মুরুব্বিরা বয়ান করছেন।  তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ

India is on fire, 40,000 affected by heatstroke, 192 vagrants died in the summer in Delhi!

  দাবদাহে পুড়ছে ভারত, হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত ৪০ হাজার, দিল্লিতে গরমে ১৯২ ভবঘুরের মৃত্যু! চলতি গ্রীষ্ম রেকর্ড গরমের সাক্ষী হয়েছে ভারত। দাবদাহের ভয়াবহতা চরমে পৌঁছেছে। দাউদাউ গরমে গত তিন দিনে কেবল দিল্লি, নয়ডাতেই ১৫ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।  এবার জানা গেল, গত সাড়ে তিন মাসে তপ্ত কড়াইয়ের ভারতে ৪০ হাজার মানুষ হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন!  অন্যদিকে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দাবি, ১১ থেকে ১৯ জুনের মধ্যে গরমে ১৯২ জন ভবঘুরের মৃত্যু হয়েছে রাজধানীতে।  এদিকে প্রকৃতির খামখেয়ালিপনার সাক্ষী উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি। উত্তর ও মধ্য ভারত যখন বৃষ্টির অপেক্ষায় চাতক, তখন অসম-সহ একাধিক রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।  আবহ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এবার ভয়ংকরতম গ্রীষ্মের সাক্ষী গোটা এশিয়াই। ভারতের উত্তরাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে গড় তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রির আশপাশে থাকছে।  জলবায়ুর এই পরিবর্তনের জন্য দায়ী মানব সভ্যতা। আরও ভালো করে বললে ‘উন্নয়ন’। গত মার্চের পর থেকেই ক্রমশ অসহনীয় হয়েছে উঠেছে দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপামাত্রা।  সূর্যের লেলিহান উনুনে পুড়ে আকাশে উড়তে উড়তে বহু পাখির মৃত্যু হচ্...