গরু মোটাতাজাকরণসহ পরিচর্যা করতে ব্যস্ত টাঙ্গাইলের খামারিরা Skip to main content

Featured Post

https://search.google.com/search-console?utm_source=about-page&resource_id=https://awameleuge.blogspot.com/

 প্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে অনেকের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করতে পারছি না  এ কারণে যারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন কিন্তু এখনো গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, দয়া করে বিষয়টি ভুলভাবে নেবেন না। আপনাদের সবার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা সবসময়ই আমার জন্য মূল্যবান। সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।

গরু মোটাতাজাকরণসহ পরিচর্যা করতে ব্যস্ত টাঙ্গাইলের খামারিরা

গরু মোটাতাজাকরণসহ পরিচর্যা করতে ব্যস্ত টাঙ্গাইলের খামারিরা


মুসলমানদের দুটি ঈদ হচ্ছে বড় ধর্মীয় উৎসব। একটি হচ্ছে ঈদুল ফিতর আরেকটি হচ্ছে ঈদুল আজহা। সিয়াম সাধনার পরে ঈদুল ফিতর পালন করা হয়। অপরটি হচ্ছে তাকওয়া অর্জরে জন্য পশু কোরবানী মাধ্যমে ঈদুল আজহা পালন করা হয়। আর কিছুদিন পর কোরবানির ঈদ। আসন্ন কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে গরুর শেষ সময়ে পরিচর্যাসহ মোটাতাজা করণে ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের খামারিরা। গত বছর ব্যবসা ভালো হওয়ায় এবার আরো দেশি গরুর মোটাতাজা করণে নেমেছে তারা। তবে বিদেশি গরু না আসলে গত বছরের চেয়ে দ্বিগুণ লাভ হবে বলে আশা করছেন খামারিরা। খামারিদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হওয়ায় অসাধু পন্থা অবলম্বন না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে কাঁচা ঘাস, খড়, খৈল-ভুষি খাইয়ে গরু মোটাতাজাকরণ করছে তারা। দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করে লাভবান হচ্ছেন অনেকেই। দেশীয় পদ্ধতিতে প্রাকৃতিকভাবে গরু মোটাতাজাকরণ গরুর চাহিদা বাজারে বেশি ও আর্থিক লাভজনক হওয়ায় জেলায় এ বছর দেশি পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণের খামারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এতে করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন অনেক খামারীরা। এবার গো খাদ্য খড়, ভুষি. তীল, খৈলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা হিমসিম খাচ্ছে। এ অবস্থায় ভারতীয় গরু বাজারে আসলে দেশি গরুর দাম কমে যাওয়ার আশংকা করছে খামারি। স্থানীয় খামারিদের দাবি এবার যাতে হাটে বিদেশি গরু না আসা তার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়। এদিকে খামারিদের অভিযোগ তারা সরকারি কোনো ঋণ সহায়তা পায় না। এমনকি প্রাণী সম্পাদ দপ্তরের ডাক্তারগণও মাঠ পর্যায়ে যায় না। গরু অসুস্থ হলে তাদের খবর দিলেও তারা যায় না। যদিও যায় তাদেরকে টাকা দিতে হয়। কাগমারা এলাকার খামারী মাওলানা আব্দুল মামুন বলেন, প্রাকৃতিকভাবে কাঁচা ঘাস, খড়, খৈল-ভুষি খাইয়ে গরু মোটাতাজাকরণ করছি। সরকার বাহির থেকে কোন গরু আমদানী করলে আমরা একটু বেশি লাভবান হতে পারতাম। দাইন্যা ইউনিয়নের ফুটানী বাজার এলাকার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় বছর গরুর গো-খাদ্যের দাম অনেকটা বেশি। অসাধু পন্থা অবলম্বন না করায় আমার প্রতিটি গরুতে অনেক বেশি খরচ হয়েছে। তাই বাহির থেকে গরু আমদানী করার জন্য কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। সন্তোষ এলাকার মো. হাফিজুর রহমান বলেন, অনেক যতেœ আমার খামারের গরুগুলো লালন পালন করেছি। আমার পরিবারের সকল সদস্যই গরুর পরিচর্যা করতে সময় দিয়ে থাকে। বর্তমানেও গরুর বাজার ভাল আছে। ইন্ডিয়া থেকে গরু আমদানী করলে আমাদের অনেক ক্ষতি হবে। তাই ইন্ডিয়া থেকে গরু আমদানী বন্ধে কর্তৃপক্ষের নজরদারি কামনা করছি। টাঙ্গাইল জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা এস.এম আউয়াল হক বলেন, টাঙ্গাইলের ১২ টি উপজেলায় ৪৫ হাজার গরু ছাগলের চাহিদা রয়েছে। আর আমাদের কাছে প্রায় ৬০ হাজার গরু ছাগল মজুদ রয়েছে। বাহিরের দেশ থেকে গরুর আমদানী ছাড়াই আমাদের নিজস্ব গরু দিয়ে কোরবানী কার্যক্রম সম্পন্ন করা যাবে।

Comments

Popular posts from this blog

Murder of judge's son, accused's confessional statement in court

রাজশাহী  মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্কুলপড়ুয়া ছেলে তওসিফ রহমান তৌসিফকে (১৫) হত্যা ও বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি লিমন মিয়া (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে বলা হয়েছে- পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসির কাছ থেকে লিমন নিজের অভাব-অনটনের কথা বলে মাঝে মধ্যেই টাকাপয়সা নিতেন। এই টাকাপয়সা নেওয়াটা নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে লিমন মিয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করা হয় রাত

The country's largest Friday prayer was held at Biswa Ijtema Maidan in Tongi

টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ  মাওলানা সাদ অনুসারীদের দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমার শুরুর দিনটা শুক্রবার পড়েছে। টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ।  তুরাগ নদের তীরে ইজতেমা ময়দানে লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় ইজতেমা ময়দানে জুমার আজান হয়। দেড়টায় শুরু হয় খুতবা।  এরপর ১টা ৫০ মিনিটে নামাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ১টা ৫৫ মিনিটে। জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদের বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।  ইজতেমার নিজামউদ্দিন অনুসারী দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  শুক্রবার বাদ ফজর থেকেই দ্বীন, ইমান এবং আখলাকের ওপর ইজতেমার দেশ-বিদেশের শীর্ষ মুরুব্বিরা বয়ান করছেন।  তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ

India is on fire, 40,000 affected by heatstroke, 192 vagrants died in the summer in Delhi!

  দাবদাহে পুড়ছে ভারত, হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত ৪০ হাজার, দিল্লিতে গরমে ১৯২ ভবঘুরের মৃত্যু! চলতি গ্রীষ্ম রেকর্ড গরমের সাক্ষী হয়েছে ভারত। দাবদাহের ভয়াবহতা চরমে পৌঁছেছে। দাউদাউ গরমে গত তিন দিনে কেবল দিল্লি, নয়ডাতেই ১৫ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।  এবার জানা গেল, গত সাড়ে তিন মাসে তপ্ত কড়াইয়ের ভারতে ৪০ হাজার মানুষ হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন!  অন্যদিকে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দাবি, ১১ থেকে ১৯ জুনের মধ্যে গরমে ১৯২ জন ভবঘুরের মৃত্যু হয়েছে রাজধানীতে।  এদিকে প্রকৃতির খামখেয়ালিপনার সাক্ষী উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি। উত্তর ও মধ্য ভারত যখন বৃষ্টির অপেক্ষায় চাতক, তখন অসম-সহ একাধিক রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।  আবহ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এবার ভয়ংকরতম গ্রীষ্মের সাক্ষী গোটা এশিয়াই। ভারতের উত্তরাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে গড় তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রির আশপাশে থাকছে।  জলবায়ুর এই পরিবর্তনের জন্য দায়ী মানব সভ্যতা। আরও ভালো করে বললে ‘উন্নয়ন’। গত মার্চের পর থেকেই ক্রমশ অসহনীয় হয়েছে উঠেছে দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপামাত্রা।  সূর্যের লেলিহান উনুনে পুড়ে আকাশে উড়তে উড়তে বহু পাখির মৃত্যু হচ্...